এ সম্পর্কিত আরও খবর
তারেক রহমানের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ
- ডেস্ক রিপোর্ট
- প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৩ এএম
-
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের চত্বর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বিষণ্ন শোকের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। হাসপাতাল থেকে প্রেস ব্রিফিং করে জানানো হয় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই—এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা জাতি শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। গত ২৩ নভেম্বর রাত থেকে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সমর্থক, দলীয় নেতা এবং সাধারণ মানুষ হাসপাতালের গেটের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের চোখে পানি, কেউবা প্রার্থনা করছিলেন।
বিএনপি কর্মী রিয়াদুল ইসলাম বলেন, খবরটা শোনার পর ঘরে বসে থাকা সম্ভব হয়নি। তাকে দেখার কোনো সুযোগ নেই, তাই সবাই বাইরে অপেক্ষা করছে। সবার চোখেই পানি।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তার জানাজায় সারা দেশ থেকে বিএনপির লাখো সমর্থক ও সাধারণ মানুষ সমবেত হন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতি প্রমাণ করে, খালেদা জিয়া কেবল বাংলাদেশের সীমানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ ছিল না।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ শোকের বাইরে খালেদা জিয়ার মৃত্যু একটি সংকটময় মুহূর্তে বিএনপির জন্য বড় ধরনের বার্তা ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। বছরের পর বছর অসুস্থতা ও রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার মধ্যেও যিনি দলের ঐক্যের চূড়ান্ত প্রতীক ছিলেন; সেই নেত্রীকে ছাড়াই এখন নির্বাচনি লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে দলটিকে।
তার প্রয়াণে বিএনপি এখন পুরোপুরি ‘খালেদা জিয়া-উত্তর’ যুগে প্রবেশ করল। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ার পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন সব ক্ষমতা ও জবাবদিহির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আনিসুর রহমান জাভেদ
ঠিকানা: নয়াপল্টন, ঢাকা
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন