এ সম্পর্কিত আরও খবর
আজ মহান মে দিবস
- নিউজ এক্সপ্রেস ডেস্ক
- প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
-
ছবি: সংগৃহীত
মহান মে দিবস আজ। বিশ্বজুড়ে শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামের স্বীকৃতির দিন হিসেবে প্রতি বছর ১ মে দিবসটি পালন করা হয়। শ্রমিকদের অধিকার ও ন্যায্য দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে দিনটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। সাধারণত এ দিন সরকারি ছুটি থাকে, তবে এ বছর শুক্রবারে মে দিবস পড়ায় আলাদা ছুটির প্রয়োজন হয়নি। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত’।
দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস’ উপলক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, শ্রমিকের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এবারের প্রতিপাদ্যটি সময়োপযোগী।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রার মূল চালিকাশক্তি। তাদের নিরলস পরিশ্রমেই শিল্প, কৃষি ও অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে ওঠে। তাই শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শ্রমবান্ধব নীতি ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
মে দিবসের ইতিহাস শুরু হয় ১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেট আন্দোলন থেকে। শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কর্মঘণ্টার দাবিতে আন্দোলন করেন। এক পর্যায়ে সংঘর্ষে শ্রমিক ও পুলিশ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওই আত্মত্যাগই বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে।
পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে ১ মে দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালনের প্রস্তাব আসে এবং ১৮৯১ সালে তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এরপর থেকেই দিনটি বিশ্বব্যাপী ‘মে দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
মে দিবস উপলক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, র্যালি, আলোচনা সভা ও সমাবেশ।
এছাড়া রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে একটি বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নিচ্ছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রমিক সংগঠন পৃথকভাবে নানা কর্মসূচি পালন করছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সহযোগী শ্রমিক সংগঠনও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় পত্রিকাগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং বেসরকারি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান ও টকশো সম্প্রচার করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আনিসুর রহমান জাভেদ
ঠিকানা: নয়াপল্টন, ঢাকা
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন