এ সম্পর্কিত আরও খবর
ঈদে মহাসড়কের তেলের পাম্প ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে: সেতুমন্ত্রী
- নিউজ এক্সপ্রেস ডেস্ক
- প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
-
ছবি: সংগৃহীত
ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কের জ্বালানি পাম্পগুলো ঈদের আগে সাত দিন এবং ঈদের পরে পাঁচ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে মহাসড়কের সব জ্বালানি পাম্প টানা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যানজট এড়াতে দেশের মহাসড়কের ২০৭টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।
এসব স্থানে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যাতে কোথাও যানজট সৃষ্টি না হয় এবং যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার না হন।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীরা যেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন এবং সড়কে দীর্ঘ সময় আটকে না থাকেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।
এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
এদিকে রাজধানীর গুলিস্তানে সাংবাদিকদের সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহনে জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ রাত থেকেই এসব পরিবহন পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল পাবে।
সম্প্রতি ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। এর ফলে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হলে সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ হিসেবে গত ৬ মার্চ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহে সীমা নির্ধারণ করে।
সেই নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারত। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য সীমা ছিল ১০ লিটার। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস পেত ২০ থেকে ২৫ লিটার জ্বালানি।
এ ছাড়া পিকআপ ও লোকাল বাস দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারত। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের জন্য নির্ধারিত ছিল ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেলের সীমা।
তবে নতুন সিদ্ধান্তে শুধু গণপরিবহনের ক্ষেত্রে রেশনিং তুলে নেয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য জ্বালানি সরবরাহের সীমা বিষয়ে এখনো নতুন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আনিসুর রহমান জাভেদ
ঠিকানা: নয়াপল্টন, ঢাকা
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন