এ সম্পর্কিত আরও খবর
ভেজালবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- নিউজ এক্সপ্রেস ডেস্ক
- প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম
-
ছবি: সংগৃহীত
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত কমিটিতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কার্যকর অভিযান পরিচালনায় তারা নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে জনবল সংকট, আধুনিক পরীক্ষাগারের অভাব, উন্নতমানের সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর দাবিও জানান তারা।
প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এ লক্ষ্যেই উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।”
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি গুলশান লেকের উদাহরণ দিয়ে বলেন, “আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।”
সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
ঠিকানা: ১৩/পি, বীর উত্তম সি.আর.দত্ত রোড, নাসির পয়েন্ট, ২য় তলা, বাংলামটর, ঢাকা-১০০০
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন