এ সম্পর্কিত আরও খবর
ব্যবসায়ীর ৫০ লাখ টাকা নিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালালো নারী
- নিউজ এক্সপ্রেস প্রতিবেদক
- প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
-
ছবি: নিউজ এক্সপ্রেস
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ব্যবসায়ী শামছুল আলমের সঙ্গে প্রতারণা করে স্ত্রী পান্না আক্তার স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় নিয়ে যাওয়া ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফাহাদের (৫) কোন খোঁজ পাচ্ছে না ওই ব্যবসায়ী। একাধিকবার ছেলের খোঁজ ও অবস্থান জানতে চাইলে পান্নাসহ তার পরিবার কোন কিছুই বলছে না। এতে ছেলেকে ফিরে পাওয়াসহ টাকা-স্বর্ণালংকার ফেরত পেতে মামলা করেছেন তিনি।
জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি পান্না লক্ষ্মীপুর আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরপর ছেলে ফাহাদ কোথায় আছে কেমন আছে ব্যবসায়ীকে তা জানায়নি ওই নারী। পরে আপোস শর্তে গত ২৫ জানুয়ারি পান্নাকে জামিন দেয় আদালত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শামছুল আলমের আইনজীবী মো. রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত পান্না রামগঞ্জ পৌরসভার সোনাপুর এলাকার আবুল কালামের মেয়ে। ভুক্তভোগী শামছুল আলম রামগঞ্জ পৌরসভার সাতারপাড়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে ও পেশায় ব্যবসায়ী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই রাতে এশার নাম পড়তে শামছুল মসজিদে যায়। এসময় ঘরে থাকা ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ সাড়ে ৯ লাখ টাকা নিয়ে তার স্ত্রী পান্না পরক্রিয়া প্রেমক জীবন হোসেনের সঙ্গে পালিয়ে যায়। স্থানীয় কয়েকজন তাদেরকে রিকশা ও পরে সিএনজিযোগে চলে যেতে দেখেছে। ঘটনার সময় একমাত্র ছেলে ফাহাদকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ছেলেটি খোঁজ দিচ্ছে না পান্নাসহ তার পরিবার। এ ঘটনায় ১৬ জুলাই শামছুল বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রামগঞ্জ আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। এতে পান্না, তার পরকিয়া প্রেমিক জীবনসহ ৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
শামছুল আলম বলেন, গত বছর ১৩ জুন আমি হজ্বে যাই। এরআগে পান্নার নামে ব্যাংকে ২২ লাখ টাকা এফডিআর করে রেখে যাই। আমি হজ্বে যাওয়ার পরে পান্না প্রতারণা করে ওই টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে নেয়। ৬ জুলাই আমি দেশে আসি। ৮ জুলাই সে তার পরকিয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। আমার ছেলের কোন খোঁজ দিচ্ছে না তারা। আমি ছেলেসহ টাকা-পয়সা স্বর্ণালংকার ফেরত চাই।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে পান্নার বাবা আবুল কালামের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। আবুল কালামের নাম্বারে একাধিকবার কল করলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পান্না আক্তারের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
শামছুল আলমের আইনজীবি মো. রায়হান বলেন, আপোস শর্তে গত ২৫ জানুয়ারি পান্নাকে আদালত জামিন দিয়েছেন। প্রায় ১৩ দিন পার হলে তিনি আপোসের জন্য যোগাযোগ করেননি। শামছুলের ছেলেটি কোথায় আছে, কেমন আছে তাও জানাচ্ছেন না তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আনিসুর রহমান জাভেদ
ঠিকানা: নয়াপল্টন, ঢাকা
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন