এ সম্পর্কিত আরও খবর
বস্তিতে আগুন ও আমাদের স্বাস্থ্যসেবা
- মো. আখতারুজ্জামান
- প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:০৭ এএম
-
ছবি: সংগৃহীত
বস্তি হলো এমন এক জায়গা, যেখানে মানুষকে অমানবিকভাবে থাকতে হয়। সরকারের জমিতে গড়ে ওঠা ছোট ছোট খুপড়ি ঘরে আলো- বাতাস ঢোকে না। বৈধ বিদ্যুৎ বা গ্যাস না থাকায় সেখানে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ লাইন ব্যবহার হয়। বস্তিতে মানুষের মৌলিক চাহিদা নেই না ভালো থাকার ব্যবস্থা, না স্কুল, না ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। চিকিৎসার ব্যবস্থাও নেই। তাই তাদের সারাক্ষণ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ডায়রিয়া লেগেই থাকে।
কম আয়ের মানুষগুলোকে নানা ভাবে প্রতারণার মধ্যে রাখা হয়। আমরা যারা মধ্যবিত্ত বা ধনী, নিজেদের জীবন সহজ করতে এদের গৃহকর্মী বা রিকশাচালক হিসেবে ব্যবহার করি।
বস্তিতে আগুন লাগার ঝুঁকি খুব বেশি। শীত থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত আগুনের ঘটনা বাড়ে। কড়াইল বস্তিতে প্রায় ৭ বার আগুন লেগেছে। জমি সরকারির হলেও দাম বেশি হওয়ায় দখল নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়, এবং অনেক সময় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দখল–চাঁদাবাজি চলছে সবসময়, কর্মসংস্থান না থাকায় এসবই অনেকের আয়ের বড় উৎস।
তাই বস্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গৃহকর্মী ব্যবস্থা কমানো দরকার, রিকশা–ভ্যানের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। টংঘর সরিয়ে মেগাসিটি পরিকল্পনা করতে হবে। দেশের ১৮ কোটি মানুষের ন্যূনতম থাকার জন্য সাড়ে চার কোটি ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি জরুরি। আমরা ভালো ও সুস্থ জীবন চাই। তাই সকলকে সচেতন হতে হবে।
লেখক, মো. আখতারুজ্জামান
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আনিসুর রহমান জাভেদ
ঠিকানা: নয়াপল্টন, ঢাকা
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন