এ সম্পর্কিত আরও খবর
লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা, ৪ মেয়েসহ আতঙ্কে গৃহবধূ
- লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
- প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
-
ছবি: নিউজ এক্সপ্রেস
লক্ষ্মীপুরে দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি নির্মাণ কাজে বাঁধা দিয়ে এক ইতালি প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষক জহির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সময় প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ বেগম ও ৪ মেয়েসহ ১৩ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। হামলার সময় ঘরে থাকা প্রায় ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারও লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে জেলা শহরের একটি রেস্তোরায় সংবাদ সম্মেলন করে ইতালি প্রবাসী জসিম উদ্দিনের বড় মেয়ে জুবাইদা গুলশান আরা মিলি লিখিত বক্তব্যে এসব জানান। এর আগে বুধবার (৩ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েক দফায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে প্রবাসী পরিবারের ১৩ জন আহত হন। তারা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী শাহনাজ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর এলাকার ইতালি প্রবাসী জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। অভিযুক্ত জহির তাদের প্রতিবেশী ও জকসিন মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক। উভয়ের মধ্য জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ, তার মেয়ে কলেজছাত্রী মিলি, সুমাইয়া আক্তার, স্কুলছাত্রী ইশরাত জাহান ইকরা মোল্লা, শিশু শ্রেণির ছাত্রী রাবেয়া মিথি, বোন আকলিমা বেগম, ভাগনি জান্নাতুল ফেরদাউস ও বোনজামাই কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
জুবাইদা গুলশান আরা মিলি বলেন, জহির আমাদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তা না দেওয়ায় ভবন নির্মাণ করতে গেলে জহির ও তার ভাগিনা জোনায়েদ এসে বাধা দেয়। এতে প্রতিবাদ করায় জহিরসহ তার লোকজন আমাদের ওপর কয়েক দফায় হামলা করে। আমাদের ঘরে মেহমান ছিলো তাদেরকেও মারধর করেছে। তারা আমাদের ঘর থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগম বলেন, কয়েক দফায় আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ৪ মেয়ে নিয়ে আমি আতঙ্কে রয়েছি। যে কোন সময় হামলাকারীরা তাদের বড় ধরণের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে জহির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। চাঁদা দাবির অভিযোগ মিথ্যা। সীমানা অতিক্রম করে ভবন নির্মাণ করলে আমার ভাগিনা কাজে বাধা দেয়। এতে উভয়পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। আমাদের একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আনিসুর রহমান জাভেদ
ঠিকানা: নয়াপল্টন, ঢাকা
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন